Abdul Qadir Jilani Story In Bangla -

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের আধ্যাত্মিক জীবনে হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছেন। বিশেষ করে গ্রাম বাংলায় তার নামে অসংখ্য ‘মিলাদ মাহফিল’, ‘উরস’, ‘কাদেরিয়া বাড়ি’ (খানকাহ) ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলা লোকসাহিত্যে ‘গাজীর গান’-এর সাথে আবদুল কাদির জিলানীর নাম জড়িত। অনেক কবি তার প্রশংসায় ‘মরমী গান’ বা ‘জারি গান’ রচনা করেছেন।

হিজরি ৫৬১ সালের ১১ই রবিউল আউয়াল (১১৬৬ খ্রি.) হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.) ইহলোক ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল প্রায় ৯১ বছর। তাকে বাগদাদের তার নিজ মাদ্রাসায় সমাহিত করা হয়। পরবর্তীতে ‘বাব শাইখ’ বা ‘পীরের দরজা’ নামে পরিচিত তার মাজার প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। ইরাক যুদ্ধের পরও তার মাজার অক্ষত রয়েছে এবং এটি মুসলমানদের জন্য এক পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। abdul qadir jilani story in bangla

বাংলাদেশের প্রাচীন ও শ্রদ্ধেয় ‘কাদেরিয়া তরিকা’ এখনও লাখো মানুষের মুরব্বি। লোকমান হাকিম, ফুলতলী, যশোর, চট্টগ্রাম প্রভৃতি অঞ্চলে তার নামে খানকাহ ও মাদ্রাসা রয়েছে। এখানে তার উপদেশাবলীর বাংলা অনুবাদ পাঠ করা হয় এবং উনার ‘উইর্দ’ ও ‘আউরাদ’ গাওয়া হয়। abdul qadir jilani story in bangla

: His caravan was attacked by 60 robbers. When a robber asked him if he had anything, Abdul Qadir Jilani immediately replied that he had 40 gold coins. The Transformation abdul qadir jilani story in bangla

তিনি বাগদাদের বিখ্যাত মাদ্রাসা ও মসজিদে শিক্ষাদান শুরু করেন। তার বক্তৃতা ও নসিহত শুনতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসত। তার জীবদ্দশায় প্রায় ৭০ হাজার লোক তাঁর হাতে ইসলাম গ্রহণ করে। তিনি অলি ও পীর হিসেবেও সুপরিচিত ছিলেন।